• Awesome Blogging Theme!
  • Active Yoga Class

হৃদরোগে সবসময় বুকে ব্যথা হয় না



হার্টের সমস্যা হলে তো বুকে ব্যথা করত! কই, আমার তো কোনো বুকে ব্যথা ছিল না। অনেক হৃদ রোগী এ প্রশ্ন তোলেন। কথা ঠিক। করোনারি আর্টারি ডিজিজে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিগুলোতে চর্বি জমে, ফলে কমে যায় হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহ। একটু পরিশ্রম করলে, সিঁড়ি ভাঙলে শুরু হয়ে যায় ব্যথা। এই ব্যথা সাধারণত হয় বুকের মধ্যখানে, চাপ দিয়ে ধরে থাকে, পরিশ্রম করলে বাড়ে, বিশ্রাম নিলে আবার কমে। তবে মনে রাখবেন, অনেক মানুষেরই এই ধরনের ব্যথা বা উপসর্গ নাও থাকতে পারে। এমনও হতে পারে যে আপনার হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী করোনারি ধমনিগুলো বিপজ্জনকভাবে বন্ধ বা ব্লক হয়ে আছে, কিন্তু আপনার কোনো দিনই বুকে ব্যথা হয়নি। আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকের পরই শুধু তা ধরা পড়ল।
এই সমস্যা বেশি হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের। ডায়াবেটিসের কারণে তাঁদের জটিলতা দেখা দেয়, ফলে উপসর্গগুলো ঠিকমতো টের পাওয়া যায় না। সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকও তাঁদেরই বেশি হয়। বুকে ব্যথা ছাড়া অন্য রকম উপসর্গ নিয়ে নারীদের হৃদ্‌রোগ বেশি ধরা পড়ে। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এমন ওষুধ খান, যা অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমকে দাবিয়ে রাখে, তাঁদেরও উপসর্গ নাও থাকতে পারে। যাঁরা সব সময় ভারী ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটিতে অভ্যস্ত, তাঁদের মূল ধমনি ব্লক হওয়ার পরও আশপাশের রক্তনালিগুলো সক্রিয় থাকে ও হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহ চালিয়ে যায়। এ কারণে তাঁদেরও অনেক সময় পরিশ্রমে বুকে ব্যথা হয় না।
বুকে ব্যথা ছাড়াও হৃদ্‌রোগের আরও উপসর্গ আছে। এগুলোকে অবহেলা করবেন না। যেমন, পরিশ্রমে প্রচুর ঘাম হওয়া ও অস্বস্তি বোধ হওয়া। ফিটনেস লেভেল কমে যাওয়া। বাম হাত, চোয়াল, ঘাড় এমনকি পিঠে ব্যথা নিয়েও হৃদ্‌রোগ দেখা দিতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মতো অনুভূতি, বুক জ্বালা, বুক-পেটের মধ্যবর্তী এলাকায় ব্যথা—এগুলোও ফেলনা নয়। বমি ভাব বা বমিও হতে পারে উপসর্গ। মাথা হালকা বোধ হওয়া, ঝিমঝিম করা, রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা নিয়ে হার্ট অ্যাটাক ধরা পড়তে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যাকেও আমলে নিন।
ডা. শরদিন্দু শেখর রায়
হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
সোর্স – প্রথম আলো

read more →

বিয়ের পূর্বে ফিট থাকতে সহজ কিছু ডায়েট টিপস



বিয়ের আগে নিমন্ত্রন, বন্ধুদের সাথে ঘোরাফেরা ইত্যাদি নানা কারনে প্রচুর খাওয়া দাওয়া হয়। প্রত্যেকের শারীরিক গঠন অনুযায়ী ডায়েট চার্ট ও ফিটনেস প্ল্যান মানা উচিত। আপনি যদি খুব রোগা হন বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকে তা হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে খাওয়া দাওয়া ও ব্যায়াম করুন। কীভাবে ডায়েট ও ফিটনেস প্ল্যান করলে ফিট থাকতে পারবেন জেনে নিন।
• বিয়ের একমাস আগে থাকেই নিজের ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করুন। একমাসে মাঝেমধ্যে একদিন বেশি খেয়ে ফেললে চিন্তার কোন কারন নেই। ভাত ও রুটির পরিমান একটু কমিয়ে দিন সালাদ বেশি করে খান। ব্যায়াম করার সময় একটু বাড়িয়ে দিন।
• বাইরে খাওয়া দাওয়া করলে সাথে সালাদ খাওয়ার চেষ্টা করুন। ডুবো তেলে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকুন।
• সারাদিন বাইরে থাকতে হলে ড্রাই ফ্রুটস সাথে নিয়ে নিন। হেলদি স্ন্যাকস হিসেবে ভালো হবে। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। বাইরের কোন খাবার খেলে প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। সারাদিনে খুব বেশি চা বা কফি না খাওয়াই ভালো।
• নানা রকমের সবজির তরকারি রাখুন খাদ্য তালিকায়। আলুর সাথে অন্যান্য সবজিও যেন যথেষ্ট পরিমানে থাকে সেদিকে নজর রাখুন। দুপুর ও রাতের খাবারে বেশি করে সবজি রাখুন।
• একই ধরনের ফল খেতে বিরক্ত লাগতে পারে। তাই সব রকমের ফল খেতে পারেন।
• প্রতি খাবারের সাথে সালাদ খাওয়ার চেষ্টা করুন। ফিট তো থাকবেনই, সাথে ত্বক, চুল ও নখও ভালো থাকবে।
• ভাত বা রুটি যেকোন একটি বেছে নিন। ভাত ও রুটি একসাথে খাবেন না। প্রোটিন জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
• রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
• সপ্তাহে তিন দিন যোগব্যায়াম করুন ও ৬ দিন ৩০-৪০ মিনিট করে ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন।
• শরীরের পাশাপাশি ত্বকের যত্ন নিতেও ভুলে যাবেন না। মাসে একবার প্রফেশনাল ফেসিয়াল করিয়ে নিলে আপনার ত্বকের জন্য ভালো হবে।

read more →

বগলের কালো দাগ দূর করার ১০টি দারুণ টিপস


আন্ডারআর্ম বা বগলের কালো দাগ অনেকের জীবনের খুব সাধারণ সমস্যা। নানান ক্রিম ব্যবহার করে এই দাগ সাময়িক ভাবে দূর করা যায়, কিন্তু আমাদেরই ভুলে সেটা আবার ফিরে আসে। কী করবেন? জেনে নিন ১০টি দারুণ টিপস, যেগুলো কেবল আপনার বগলের কালো দাগ দূর করবেই না বরং দাগ সরিয়ে সবসময় বগলকে ফর্সা ও সুন্দর রাখবে খুব সহজে।
# বগলের কালো দাগ দূর করার জন্য শসা বা আলুর রস খুবই দারুণ একটি জিনিস। দিনে দুবার বগলে শসা বা আলুর রস লাগিয়ে রাখুন। ১৫/২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসের বদলে থেঁতো করা আলু বা শসাও ব্যবহার করতে পারেন।
# বেকিং সোডার সাথে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট বগলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে বেশ কয়েকবার এটা করুন। কালো দাগ তো দূর হবেই, নতুন দাগ হবে না।
# ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ, ১ টেবিল চামচ দই, ১ টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট বগলে মাখুন।সপ্তাহে ২/৩ বার নিয়মিত ব্যবহারে কালো দাগ দূর হবে আবার বগলে নতুন করে দাগও হবে না।
# বগলে শেভ না কয়ে ওয়াক্স করুন। খুব ভালো হয় যদি পার্লারে করতে পারেন। সেখানে যত্ন করে করা হয় আর ত্বকের কোন ক্ষতি হয় না। শেভ করলে চুলের গোঁড়াটা রয়ে যায় ফলে কালো দাগ বেশী মনে হয়।
# যদি শেভ করতেই হয়, তাহলে নারিকেল তেল ব্যবহার করুন বগলে শেভিং ক্রিমের বদলে। এছাড়াও প্রতিদিন বগলে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করুন। নারিকেল তেল নিয়মিত ম্যাসাজে বগলের কালো দাগ দূর হয়ে তো যাবেই, ত্বকও থাকবে ফর্সা ও সুন্দর।
# কেবল মুখে নয়, বগলেও স্ক্রাবিং করুন।
# বগলে ক্ষতিকারক ঘাম প্রতিরোধক পণ্য ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়েই ঘাম প্রতিরোধ করুন।
# এমন পোশাক পরুন, যাতে বগলে খুব বেশী ঘষা না লাগে।
# গোসলের সময় প্রতিদিনি বগল আলাদা ভাবে পরিষ্কার করুন।
# বগলে পারফিউম লাগাবেন না। কিংবা বগলের কাছের পোশাকেও নয়।


read more →

গোপন অঙ্গে চুলকানি সমস্যার কারণ ও প্রতিকার


গোপন অঙ্গে চুলকানির সমস্যা নারী জীবনের অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। বেশিরভাগ নারীই নজ্জায় এই বিষয়টি চেপে যান কিংবা মোটেও গুরুত্ব দেন না। তাঁরা জানেন না যে বেশিরভাগ নারীকেই জীবনে কখনো না কখনো এই সমস্যাটির মোকাবেলা করতেই হয় এবং এটি আসলে রোগের লক্ষণ! একটু খানি সচেতনতাই আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে অনেক গুলো শারীরিক সমস্যা থেকে। লজ্জা নয়, সচেততা জরুরী। চলুন, আজ জানি গোপন অঙ্গে চুলকানির কারণ, প্রতিকার ও আপনার করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত।
যেসব কারণে হতে পারে চুলকানি
সাধারণ যেসব কারণে গোপন অঙ্গে চুলকানি হতে পারে সেগুলো হচ্ছে অ্যালার্জি। টাইট কাপড় পরিধান, কোন সাবান বা পারফিউমের রিঅ্যাকশন, ঘামে ভেজা কাপড় দীর্ঘ সময় পরে থাকা ইত্যাদি। এছাড়াও ইস্ট ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়ার কারণেও হতে পারে এই চুলকানি।হতে পারে হরমোনের সমস্যা বা কোন ত্বকের রোগের কারণেও। মেনোপজের পরও গোপন অঙ্গে হতে পারে এমন চুলকানি। গোপন অঙ্গ যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরও যদি প্রতিদিন ঘনঘন চুলকানি হতে থাকে যা মোটেও স্বাভাবিক নয়, তাহলে আপনার উচিত এখনোই সচেতন হয়ে যাওয়া।
কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?
যদি গোপন অঙ্গে গন্ধ ও চুলকানির উপস্থিতি একত্রে টের পান, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়াই উত্তম। পশ্চাৎ দেশের মত যোনিতেও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া থাকে। কিন্তু খারাপ ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ যখন বাড়তে থাকে তখন বাজে গন্ধ ও জ্বালাপোড়া হতে থাকে, এটা একটি রোগের লক্ষণ যাকে বলে bacterial vaginosis। অন্যদিকে ইস্ট ইনফেকশনের কারণে যদি চুলকানি হয়ে থাকে, তাহলে চুলকানির সাথে গন্ধ থাকতে পারে, থাকবে ঘন সাদা স্রাব। ইস্ট ইনফেকশন অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। যৌন সম্পর্ক, অ্যান্টি বায়োটিক খাওয়া, এমনই দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের কারণেও হতে পারে এই সমস্যাটি। এগুলো সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে তো যাবেনই, চুলকানির সাথে যদি প্রস্রাব ত্যাগেও কষ্ট হয় বা যৌন মিলনে ব্যথা অনুভব করেন, তাহলেও দেরি না করে দ্রুত যাবেন ডাক্তারের কাছে।
এছাড়াও ঘরে যা করতে পারেন
১) সর্বদা বিশেষ অঙ্গটি পরিষ্কার রাখবেন। অন্যদের চাইতে একটু বেশিই যত্ন করবেন। প্রত্যেকবার টয়লেটের কাজ সারার পর উষ্ণ পানি ও ভালো সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে ভালো করে মুছে জায়গাটি শুকনো রাখবেন।
২) একদম ঢিলেঢালা সুতির অন্তর্বাস পরিধান করুন। দিনে দুবার অন্তর্বাস বদলে ফেলুন। এছাড়া ঘামে ভেজা অন্তর্বাস বেশি সময় ব্যবহার করবেন না।
৩) গোপন অঙ্গের জন্য একদম মাইলড কোন সাবান বা পরিশকারক ব্যবহার করুন। নিউট্রিজেনার লিকুইড সোপ বা গন্ধ বিহীন বিদেশী সাদা ডাভ সাবান ব্যবহার করতে পারেন। এমন কিছু ব্যবহার করবেন যাতে সুগন্ধী নেই।
৪)মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারও কম খাবেন। ইস্ট ইকফেকশন হয়ে থাকলে এতে অনেকটাই কাজ দেবে।
৫) রাতের বেলা অন্তর্বাস পরে ঘুমাবেন না। বিশেষ করে গরমের দিনে।
৬)গোপন অঙ্গে পাউডার ব্যবহারের অভ্যাস থাকলে বেবি পাউডার ব্যবহার করুন।


read more →

ছোট্ট একটি কৌশলে,মাত্র ৪ সেকেন্ডে মানুষটি আপনাকে পছন্দ করে ফেলবে


আপনার সাথে দেখা হবার কয়েক সেকেন্ডের মাঝেই একজন মানুষ আপনার ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে বেশিকিছু ধারণা করে ফেলতে পারে। এর ওপরে নির্ভর করে আপনি একটা নতুন চাকরি পেতে পারেন, নতুন একটা বন্ধু পেতে পারেন এমনকি জয় করে নিতে পারেন একজন নারীর মন! এ কারণে দেখার হবার পর যতো দ্রুত সম্ভব আপনার ব্যাপারে ওই মানুষের মনে একটা ভালো ধারণা তৈরি করাটা জরুরী।
Business Insider থেকে দেখা যায়, তারা “How to Make People Like You in 90 Seconds or Less” বইটি থেকে তুলে আনে খুব কম সময়ে নিজেকে ভালোভাবে উপস্থাপন করার কিছু কৌশল। এসব কৌশল অনুসরণ করলে সেই মানুষটি আপনাকে পছন্দ করে ফেলবে মাত্র চার সেকেন্ডেই।
প্রথম ধাপ
উন্মুক্ত থাকুন। অর্থাৎ নিজের আচরণ এবং শরীরী ভাষায় বুঝিয়ে দিন যে আপনি অমায়িক। এ কাজটি করার জন্য যে মানুষটির সাথে আপনি দেখা করতে গেছেন, নিজের হৃদয় সেই মানুষের দিকে থাকা জরুরী। হাত বা বাহু বুকের সামনে ভাঁজ করে রাখবেন না। জ্যাকেট/স্যুট পড়া থাকলে তার সামনের বোতাম আগেই খুলে নিন। এছাড়াও তাকে সম্ভাষণ করার সময়ে থাকুন ইতিবাচক।
দ্বিতীয় ধাপ
চোখে চোখ রাখুন। আর এই কাজটি শুরু করা দরকার আপনারই। আর আপনার চোখেও এ সময়ে থাকা উচিৎ ইতিবাচক অনুভূতি। তবে Forbes বলে, খুব বেশি সময় ধরে চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। এতে অন্য মানুষটি ভয় পেয়ে যেতে পারে এমনকি আপনাকে অভদ্র মনে করতেও পারে।
তৃতীয় ধাপ
হাসুন তার দিকে তাকিয়ে। এতে তার মাঝে আপনার ব্যাপারে ভালো একটা ধারণা তৈরি হবে। শুধু তাই নয়, আপনাকে তিনি মনেও রাখবেন অনেক সময়।
চতুর্থ ধাপ
সম্ভাষণ করুন। মূল বইটিতে বলা হয়ছে হাই, হ্যালো এ জাতীয় অভিবাদনের কথা। আপনি অন্য কোনো অভিবাদন ব্যবহার করতে পারেন। তবে আপনি যে তার সাথে দেখা করতে পেরে বা তার সাথে পরিচিত হয়ে খুব খুশি হয়েছেন তা বুঝিয়ে দিন নিজের কণ্ঠস্বরেই। এরপর আপনি হ্যান্ডশেক করতে পারেন। এটাও একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।
যার সাথে দেখা করতে গেছেন, তার নামটা বলুন, সম্ভব হলে কয়েকবার। বেশ কয়েকজন মানুষের সাথে দেখা হলে প্রত্যেকের সাথে তো আর এভাবে করমর্দন করা যায় না। এক্ষেত্রে বাকি সবগুলো কাজ করুন।
`
সেই মানুষটির দিকে ঝুঁকে কথা বলুন। তবে খুব বেশি নয়। নড়াচড়া কম করে মানুষটির দিকে একটু ঝুঁকে কথা বলুন। এতে মনে হবে তার কথা শোনার ব্যাপারে আপনি আগ্রহী এবং আপনি তার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন।
এগুলো ছাড়াও আরও কিছু কাজ আছে, যা করলে একজন মানুষ আপনাকে পছন্দ করবে প্রথম দেখা থেকেই। এগুলোতে চার সেকেন্ডের বেশি কিছু সময় লাগতে পারে, কিন্তু এদের কার্যকারিতা কম নয় তাই বলে। এসব কৌশল জানতে পারা যায় Business Insider, Entrepreneur এবং Inc থেকে।
১) মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনুন
২) শুধু শুনলেই হবে না, কথার মাঝে প্রশ্ন করে বুঝিয়ে দিন আপনার মনোযোগ আছে
৩) প্রশংসা করুন মন থেকে
৪) সমালোচনায় ঘাবড়ে যাবেন না বা রেগে যাবেন না
৫) উপদেশ চান তার থেকে
৬) বারবার তার দিকে তাকান
৭) কথা বলার সময় শুধু মাথা নয়, পুরো শরীর ঘুরিয়ে দিন তার দিকে
৮) খুব বেশি ছটফট করবেন না কথা বলার সময়ে

read more →

মেকআপ ছাড়াই সহজ ১০টি কৌশলে থাকুন সুন্দর



নিখুঁত সুন্দর ত্বক সবার কাম্য। সুন্দর হতে হলে কি সব সময় মেকআপ করার প্রয়োজন? মেকআপ ছাড়া কি সুন্দর হওয়া সম্ভব নয়? অনেকের ধারণা মেকআপ ছাড়া সুন্দর লাগা সম্ভব নয়। কিন্তু মেকআপ ছাড়াও সুন্দর লাগা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন কিছু কৌশলের। মেকআপ ছাড়া সুন্দর লাগানোর কিছু কৌশল পাওয়া যায় stylecraze, .boldsky এবং womanitely থেকে।
১। হাইজেনিক
আপনি কি মেকআপ ছাড়া সুন্দর দেখাতে চান? তাহলে গাদা গাদা ফাউন্ডেশন, পাউডারের পরিবর্তে গোসল করুন। দিনে ২ বার গোসল করার চেষ্টা করুন। গোসল প্রাকৃতিকভাবে আপনাকে একটি স্নিগ্ধ লুক দিবে।
২। দিনে দুইবার মুখ ধুয়ার অভ্যাস করুন
প্রতিদিন সকাল এবং রাতে দুই বার করে মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। অদ্ভুত শোনালেও এটি সত্য। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। এটি ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয় অনেকখানি।
৩। ময়েশ্চারাইজ
ত্বক ময়েশ্চারাইজ করা খুব প্রয়োজন। মুখের সাথে হাত, ঘাড়, পায়েরও ময়েশ্চারাইজ করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ বয়সের ছাপ সবার আগে হাত পায়ে পরে থাকে। মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এছাড়া ত্বকের সাথে মানানসয়ী যেকোন ময়েশ্চারাইজ ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে পারেন।
৪। ফেইস ওয়াসের ব্যবহার
প্রতিদিন ত্বকের ময়লা পরিস্কার করার জন্য ফেইস ওয়াস ব্যবহার করুন। এমনকি ঘর থেকে বের না হলেও প্রতিদিন ফেইস ওয়াস দিয়ে মুখ পরিস্কার করুন।
৫। টোনার ব্যবহার
প্রতিদিন ত্বক পরিচর্যায় টোনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। টোনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে ত্বককে টানটান করে থাকে। বাজারে টোনার কিনতে পাওয়া যায় আপনি চাইলে সেটি ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপ জল খুব ভাল প্রাকৃতিক টোনার।
৬। হেয়ার স্টাইল
সব হেয়ার স্টাইল আপনার জন্য নয়। আপনাকে হয়তো লম্বা বেনীতে ভাল লাগছে কিন্তু আরেকজনকে চুল ছাড়া অবস্থায় বেশি মানিয়ে যায়। আপনাকে যে হেয়ার স্টাইলটি বেশি মানিয়ে থাকে সেটি করুন। তবে সব সময় একই রকমের হেয়ার স্টাইল করবেন না। এতে একঘেয়ামি চলে আসবে। মাঝে মাঝে চুলের স্টাইল পরিবর্তন করুন।
৭। চলতি ফ্যাশনের দিকে লক্ষ্য রাখুন
আপনার পোশাকের ওপর আপনার ব্যক্তিত্ব ও রুচির প্রকাশ পায়। চলতি ফ্যাশন অনুযায়ী পোশাক পরিধান করুন। অনুষ্ঠান অনুযায়ী পোশাক পরার চেষ্টা করুন। পোশাক আপনাকে অনেকখানি সুন্দর করে দিবে।
৮। রং পছন্দ করা
আপনাকে যে রং বেশি মানিয়ে যায়, সেই রং এর পোশাক পরিধান করুন। যদি কালো রং হয়, তবে কালো রং এর পোশাক পরিধান করুন। তবে হ্যাঁ সবসময় একই রঙের পোশাক পরিধান করবেন না। এতে আপনাকে দেখতে একঘেয়ে লাগবে।
৯। জুতোর দিকে লক্ষ্য রাখুন
সাজের একটই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল জুতো। কয়েক জোড়া জুতো রাখুন। ড্রেসের রং এবং অনুষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী জুতো পরিবর্তন করে পড়ুন। তবে হ্যাঁ আপনি যে ধরণের জুতোয় আরামদায়ক বোধ করবেন না, সেটি পরিধান করা থেকে বিরত থাকুন।
১০। হাসি
নিজেকে অন্য থেকে আকর্ষণীয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল হাসি। হাসি আপনাকে সবার থেকে আলাদা করে তুলবে। তাই হাসির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করুন।

read more →

পায়ের নখের ফাঙ্গাস ভালো করার ৩টি পদ্ধতি


পায়ের নখ খুব সহজেই ফাঙ্গাসের আক্রমণের শিকার হয়। কারণ পায়ের নখ ধুলোবালির খুব কাছাকাছি থাকে। এছাড়াও যারা বন্ধ জুতো পড়েন এবং পায়ে ঘামের সমস্যা রয়েছে তারাও পায়ের নখের ফাঙ্গাসের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এটি খুবই বিরক্তিকর একটি সমস্যা। নখের আকৃতি অনেক বেশি বড় হয়ে যায়, ফুটে উঠে এবং হলদেটে আকার ধারণ করে যা একেবারেই বিশ্রী লাগে। ঘরে বসেই নিচের পদ্ধতি গুলোর মাধ্যমে দূর করে দিতে পারেন পায়ের নখের ফাঙ্গাস।
১/ বেকিং সোডার ব্যবহার –
কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখের উপরে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এভাবে দিনে ২/৩ বার করুন যতোদিন পর্যন্ত না ফাঙ্গাস দূর হয়। এছাড়াও জুতোর ভেতরে বেকিং সোডা ছিটিয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডার অ্যাল্কালাইন ফাঙ্গাসের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
২/ হলুদের ব্যবহার –
অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে খানিকটা কাঁচা হলদু কুচি করে কেটে জ্বাল দিয়ে ছেঁকে হলুদের তেল তৈরি করে নিন। এবার এই হলুদের ১ টেবিল চামচ তেলের সাথে ৩ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি পায়ের ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে neil লাগান। দিনে ৩ বার ব্যবহার করুন। হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ফাঙ্গাস ধ্বংস করবে। এর সাথে দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কাঁচা হলুদ খেলে ভালো ফলাফল পাবেন।
৩/ ভিক্সের ব্যবহার –
সবচাইতে সহজ উপায়ে ফাঙ্গাস তাড়ানোর একটি উপায় হচ্ছে ভিক্স ভ্যাপোরাবের ব্যবহার। সর্দি, মাথাব্যথার কারণে অনেকেই এই মলমটি ব্যবহার করেন। এটি ফাঙ্গাস fungus তাড়াতে বেশ সহায়ক। প্রতিদিন ২ বার শুধুমাত্র ভিক্স ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে লাগান। একটি ব্যান্ডএইড দিয়ে নখটি ঢেকে রাখুন। ব্যস, সমস্যার সমাধান।

read more →